বাংলার সীমানা ছাড়িয়ে সাতসাগরের পারে সূদুর আমেরিকাতে ছবি হাতে ছুটে চলেছে ঘরের ছেলে পরিচালক সত্যজিৎ দাস

জীবনের প্রথম ছবি মানেই প্রত্যেক মুহূর্তে থাকে একটা চরম উত্তেজনা। এই প্রজন্মের একজন নবাগত পরিচালক সত্যজিৎ দাস যার প্রথম ছবি 'পেইন্টিং ইন দ্য ডার্ক'। যে ছবির গল্পে মন ভরিয়ে দিতে সবার। এই তো কিছুদিন আগে গত ২৭ শে জুলাই কলকাতার রোটারি সদনে 'ভার্জিন স্প্রিং সিনফেস্টে' প্রদর্শিত হলো 'পেইন্টিং ইন দ্য ডার্ক'। যা দর্শকদের হৃদয় ছিনিয়ে নিয়েছে। 



অন্ধ চিত্রকরের চিত্র অঙ্কনকে কেন্দ্র করে এগিয়েছে ছবির চিত্রনাট্য। অন্ধের মধ্যেও যে একটা অন্তর্নিহিত শক্তি আছে তা এ ছবিতে প্রাণবন্ত আকারে তুলে ধরা হয়েছে। এ ছবিকে অন্ধ মানুষদের জীবনদর্শনও বলা যেতে পারে। ছবির সিনেমাটোগ্রাফিতে রয়েছে আন্তর্জাতিকতার ছাপ। 

এবার মহানগর থেকে রাজ্যের সীমানা অতিক্রম করে সাতসাগরের পারে আমেরিকাতে প্রদর্শিত হতে চলেছে 'পেইন্টিং ইন দ্য ডার্ক'। আমেরিকার 'লিফ্ট-অফ গ্লোবাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল'এ দেখানো হবে 'পেইন্টিং ইন দ্য ডার্ক'। আমেরিকার পিনউড রোডে অবস্থিত পিনউড স্টুডিওতে আগামী ১৫ ই সেপ্টেম্বর থেকে ২২ শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আয়োজিত হতে চলেছে এই চলচ্চিত্র উৎসব।  

ছবিতে অভিনয় করতে দেখা গেছে অত্যাশ্চর্য উদীয়মান অভিনেতা ও নাট্যব্যক্তিত্ব রাশেদ রহমানকে। এছাড়াও বিশেষ চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী সায়ন্তি চ্যাটার্জি এবং অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন সুরোজিৎ চৌধুরী, নীলাঞ্জনা রুদ্র, বিশ্বজিৎ ঘোষ, সাহেব হালদার ও সুরোজিৎ মাইতি প্রমুখ।  

সম্পূর্ণ নিজস্ব চিন্তাভাবনায় পরিচালক সত্যজিৎ দাস অন্যরকম গল্পের টুইস্ট দিতে নির্মাণ করেছেন 'পেইন্টিং ইন দ্য ডার্ক'। ছবিতে সিনেমাটোগ্রাফি করেছেন সৌরিদেব চ্যাটার্জি। সঙ্গীত পরিচালনায় রাজদীপ দাসগুপ্ত। ছবির গল্প, চিত্রনাট্য ও গীত রচনা করেছেন পরিচালক নিজেই। 


এ ছবির বিদেশযাত্রা এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। প্রথম ছবি হিসেবে পরিচালকের কাছে এ এক বিরাট বড়ো পাওনা। বিদেশের মাটিতে পা রাখতে চলা এ ছবি নিয়ে ছবির সাথে যুক্ত কলাকুশলীদের মধ্যে উত্তেজনার পারদ এখন তুঙ্গে। বাংলা ছবি হিসেবে জয়জয়কার হোক 'পেইন্টিং ইন দ্য ডার্ক' এর। 

প্রতিবেদন-সুমিত দে

No comments