Header Ads

বিষ্ণুপুরের লালবাঁধে ২০২৬ টি ডুব দিয়ে বর্ষবরণ করলেন সদানন্দ দত্ত


নতুন কিছু করার তাড়না বাঙালির রক্তে রয়েছে বারংবার। চিরকালই বাঙালি নিত্যনতুন কসরতের মাধ্যমে বিশ্ববাসীর কাছে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। বিশ্বজয় করার মতো ঘটনা তো বাঙালি করেই থাকে। কিন্তু বাঙালির পাগলাপনাও কি কিছু কম থাকে। যদিও পশ্চিমা বিশ্বেও পাগলামি করে যেমন কেউ বেলুনে ওড়েন তো কেউ চুল দিয়ে জোরে জোরে হাঁড়ি ভেঙে রেকর্ড করেন। তাহলে পাগলামি করায় বাঙালির-ই বা দোষ কোথায় থাকে। 



এমন-ই একটি পাগলপনা কান্ড করে এই শীতের সকালে সুনাম অর্জন করলেন সদানন্দ দত্ত বাবু। সদানন্দ বাবু যা করলেন তা মোটেই সহজসাধ্য ব্যাপার নয়। বাঙালি বর্তমানে মোড়লের মতো ক্ষমতাধর যুগ অতিক্রম করে এসেছে। আগের মতো লাঠি খেলা বা দড়ি টানাটানি খেলা এসবের জনপ্রিয়তা কমছে দিন দিন। এখন আর ব্যায়ামের আখড়াও আগের মতো বসেনা সেরকম। সেই সময়ে দাঁড়িয়ে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের লালবাঁধে এই শীতের ভোরে ২০২৬ টি ডুব দিয়ে বর্ষবরণ করলেন সদানন্দ বাবু। এমন পেশির জোর খুব কম মানুষের-ই আছে। এই দৃশ্য উপভোগ করতে ভিড় জমায় বিষ্ণুপুরের আপামর জনসাধারণ।

১ লা জানুয়ারীর ভোরে কনকনে ঠান্ডাতে বাঁধের ঠান্ডা জলে ২০২৬ টি ডুব দেওয়া মোটেও সহজ কথা নয়। কতটা ক্ষমতাবান ব্যক্তি হলে এমন অসম্ভবকে সম্ভব করা যায়। তার এই অশেষ বলের কাছে যেন শীতও হার মানতে বাধ্য। 

বর্তমানে ফ্রি ফায়ার খেলে সময় নষ্ট করা মোবাইল নির্ভর প্রজন্ম মাঠ বিমুখ। খেলাধুলা করাতেও যেন তাদের অনীহা। সেই সময়ে দাঁড়িয়ে সদানন্দ বাবু এই প্রজন্মকে নতুন কিছু করার অনুপ্রেরণা দিয়ে গেলেন। 

মজার খাতিরে এই কাজকে হাস্যকর মনে হলেও এমন শক্তি প্রদর্শন এবং নতুন ভাবনা আমি বা আপনি কেই বা দেখাতে পারছি। বিষ্ণুপুরের লালবাঁধে ২০২৬ টি ডুব দিয়ে উঠে আসার পর সাধারণ মানুষ তাকে মালা পরিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন। নতুন বছরে বিষ্ণুপুরবাসীর কাছে এ এক নতুন অভিজ্ঞতা। 

প্রতিবেদন- অমিত দে

No comments